শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিনশত বছরের প্রাচীন কাল ভৈরব মন্দিরে ৬দিন ব্যাপী যজ্ঞ মহোৎসব। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন এম এ হান্নান। সরাইলে শেষ হলো সাধক শ্যামানন্দ আশ্রমের ৭০ তম হরিনাম সংকীর্তন নাসিরনগর শ্রীশ্রী পাগল শংকর মন্দিরের চুরি ঘটনা ঘটেছে। স্বর্গীয়া অপরাজিতা দত্তের প্রথম বার্ষিক শ্রাদ্ধানুষ্ঠান —– সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মিনা বেগম মিনি এর নিজ উদ্যাগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় ছোটহরণে দোয়া ও কম্বল বিতরণ সদ্য চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র এমপি পদপ্রার্থী ইকবাল চৌধুরী। ধরমন্ডল পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে, জিতু মেম্বার নিহত, আহত ২০  বিজয় দিবস উপলক্ষে ডিস্ট্রিবিউটর সমিতির পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ গর্ভকালীন যত্নের মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসবের প্রচার
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন

সেচ প্রকল্পের একই জায়গায় তিনটি নলকূপ থাকা স্বত্তেও আরেকটির অনুমোদন।

প্রতিনিধির নাম / ১৫৩৪ বার
আপডেট : বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৩

মিহির দেব , ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ভলাকোট ইউনিয়নের বাঘি এলাকায় সেচ প্রকল্পের তিনটি অগভীর নলকূপ থাকা স্বত্তেও হান্নান মিয়া নামে আর একজনকে বসানোর অনুমতি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এই বিষয়ে ১৫ নভেম্বর বুধবার নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন রুবেল মিয়া, সজল মল্লিক ও সাদ্দাম হোসেন নামের তিন ব্যক্তি।
ভুক্তভোগী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভলাকোট ইউনিয়নের বাঘি এলাকার ৯৩৪৮, ৩৬৩৫ ও ৩৬২৫ নম্বর দাগে রুবেল মিয়া, সজল মল্লিক ও সাদ্দাম হোসেন নামের তিন ব্যক্তি অগভীর সেচ প্রকল্পের নলকূপ বসিয়ে স্কীম পরিচালনা করে আসছেন দীর্ঘদিন যাবৎ। তাদের তিন জনের অগভীর নলকূপের মাঝে একই ইউনিয়নের হোসেন আলী’র ছেলে হান্নান মিয়া কে অনুমোদন দেয় বিএডিসি কার্যালয় বলে জানা যায় । এ নিয়ে তাদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, হান্নান মিয়া কে সেচ প্রকল্পের অগভীর নলকূপ বসানোর অনুমোদন দেয় কুটই মৌজার ৩৬৪৪ নম্বর দাগে। অন্যদিকে হান্নান মিয়া কুটই মৌজায় না বসিয়ে বাঘি মৌজার ৩৭২৭ নম্বর দাগে বসায়। যার ফলে বাঘি এলাকার রুবেল মিয়া, সজল মল্লিক ও সাদ্দাম হোসেন নামের তিন ব্যক্তির প্রকল্পের কৃষি জমিতে নালা কেটে ক্ষতি সাধন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী রুবেল মিয়া বলেন, আমরা অনেক বছর যাবৎ সেচ প্রকল্প চালিয়ে আসছি। বর্তমানে হান্নান মিয়া আমাদের নলকূপের কাছেই একটা নলকূপ বসিয়ে দেয়। একটা নলকূপের ৫০০ ফুটের মাঝে আর একটা কিভাবে বসায়? আর ৫০০ ফুটের মধ্যে যেন বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়া হয় এর জন্য গত ৩ অক্টোবর একটি অভিযোগ দেই, এর কোন সমাধান দেয়া হয় নাই আমাকে। নাসিরনগর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ওখানে সংযোগ দেয়া হয়। আমি এইটার সুষ্ঠু সমাধান চাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে।
আরেক ভুক্তভোগী সজল মল্লিক বলেন, আমি ত্রিশ বছর যাবৎ এখানে সেচ প্রকল্প চালিয়ে আসছি, কিন্তু হান্নান মিয়া বিএডিসির কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একই এলাকায় আরেকটি অগভীর নলকূপ বসিয়ে দেয়।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে হান্নান মিয়া বলেন, আমার জমি বাঘি, তারা কুটই কিভাবে লেখছে আমি জানি না। আর আমাকে অনুমোদন দিছে বলে আমি বিদ্যুৎ সংযোগ বসাইছি। কে অনুমোদন দিছে জানতে চাইলে সঠিক কোন সদোত্তর দিতে পারে নি।
নারিরনগর পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিস কর্মকর্তা আমজাদ হোসেন, আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি। বিষয় টি সম্পর্কে আমার জানা নাই, জেনে বিস্তারিত বলা যাবে।
বিএডিসি কার্যালয়ের সরাইল নাসিরনগর উপজেলার দায়ীত্বে থাকা ইঞ্জিনিয়ার মো: আসিফ কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি অনুমোদন দেয়ার কেউ না। এইটার দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের উনি এই প্রকল্পের সভাপতি।


এ জাতীয় আরো সংবাদ
สล็อตเว็บตรง สล็อตเว็บตรง