শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিনশত বছরের প্রাচীন কাল ভৈরব মন্দিরে ৬দিন ব্যাপী যজ্ঞ মহোৎসব। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন এম এ হান্নান। সরাইলে শেষ হলো সাধক শ্যামানন্দ আশ্রমের ৭০ তম হরিনাম সংকীর্তন নাসিরনগর শ্রীশ্রী পাগল শংকর মন্দিরের চুরি ঘটনা ঘটেছে। স্বর্গীয়া অপরাজিতা দত্তের প্রথম বার্ষিক শ্রাদ্ধানুষ্ঠান —– সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মিনা বেগম মিনি এর নিজ উদ্যাগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় ছোটহরণে দোয়া ও কম্বল বিতরণ সদ্য চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র এমপি পদপ্রার্থী ইকবাল চৌধুরী। ধরমন্ডল পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে, জিতু মেম্বার নিহত, আহত ২০  বিজয় দিবস উপলক্ষে ডিস্ট্রিবিউটর সমিতির পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ গর্ভকালীন যত্নের মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসবের প্রচার
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন

নাসিরনগরে বিনিময় প্রথার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি মেলা ।

প্রতিনিধির নাম / ৬২৬ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৫

মিহির দেব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ঃ পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুলিকুন্ডা গ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিনিময় প্রথার ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি মেলা।

তবে শুঁটকিসহ পণ্যের দাম বেশি থাকায় মেলার ঐতিহ্যে ভাটা পড়েছে। ঐতিহ্য ধরে রাখতে কিছুক্ষণের জন্যে চলে বিনিময় প্রথা।

মঙ্গলবার ১৫ এপ্রিল সকালে সরজমিন কুলিকুন্ডা গ্রামের উত্তর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত শুঁটকি মেলায় গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি শোল, বোয়াল, গজার, টেংরা এবং পুঁটিসহ বিভিন্ন ধরনের শুঁটকি নিয়ে বসেছেন দোকানিরা। দূরদুরান্ত থেকে আসা কয়েকশত দোকানি শুঁটকির পসরা সাজিয়ে বসেছেন। এদিকে শুঁটকি মেলাকে কেন্দ্র করে আশপাশের জমিতে বসেছে লৌকজ মেলা। মেলায় সার্বিক কেনাবেচা ভালো হওয়ায় খুশি দোকানিরা।

শুঁটকি দোকানি অনিল দাস দাস বলেন, ‘পণ্যের দাম বেশি হওয়ায় কমে গেছে ঐতিহ্যবাহী পণ্য বিনিময় প্রথা। অথচ এই মেলায় কয়েক বছর আগেও চালু ছিল। এখন নামে মাত্র এই প্রথা চালু আছে। তাই এ মেলার ঐতিহ্য হারিয়েছে।

ক্রেতা মো. সাব্বির মিয়া বলেন প্রাচীনকালে যখন কাগজের মুদ্রা প্রচলন হয়নি ঠিক তখন থেকে কৃষকেরা তাদের সদ্য উৎপাদিত ফসলের বিনিময়ে কেনাবেচা করতেন শুনেছি । বিশেষ করে শুঁটকি ছিল তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য। তবে কালের বিবর্তনে এই মেলার জৌলস অনেকটাই হারিয়েছে। শুধু তাই নয় হারিয়েছে চিরচেনা বিনিময় প্রথাও।

তারপরেও ঐতিহ্য ধরে রাখতে মেলায় শুটকি কেনার জন্যে এসেছি।

মেলা পরিচালনা কমিটির আহাদ আলী বলেন, বিনিময় প্রথার ঐতিহ্য ধরে রাখতে অল্প পরিসরে পণ্যবিনিময়রে মধ্যে দিয়ে শুঁটকি বিক্রি শুরু হয়।
পরে চলে টাকার বিনিময়ে বিক্রি। তিনি আরও জানান, মুঘল আমল থেকে ঐতিহ্যবাহী এ মেলা হয়ে আসছে।

মোট চার একর জমিতে বসা মেলায় শুঁটকির দোকান ছাড়াও অন্তত ৩০০ দোকান বসেছে। দিনব্যাপী এ মেলায় অন্তত কোটি টাকার পণ্য কেনাবেচা হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।


এ জাতীয় আরো সংবাদ
สล็อตเว็บตรง สล็อตเว็บตรง