আসুন, গর্ভকালীন যত্ন নিয়ে স্বাভাবিক প্রসবকে উৎসাহিত করি
১. নিয়মিত ANC ভিজিটের গুরুত্ব
• অন্তত ৮ বার চিকিৎসক/স্বাস্থ্যকর্মীর কাছে ভিজিট করুন
• রক্তচাপ, রক্ত, প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে জটিলতা আগেই শনাক্ত হয়
• নিয়মিত ANC মা’কে মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত করে ২.স্বাভাবিক প্রসবের উপকারিতা বোঝান • কম ঝুঁকি, কম খরচ • মা ও শিশু দুজনের দ্রুত সুস্থতা
• ভবিষ্যতে গর্ভধারণে কম জটিলতা ৩. জন্ম পরিকল্পনা (Birth Plan) তৈরি করুন • ANC-এর সময়ই পরিবারসহ আলোচনা করে পরিকল্পনা তৈরি করুন• স্বাভাবিক প্রসবকে অগ্রাধিকার দিন, শুধু চিকিৎসাগত প্রয়োজনে সিজার ৪. স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকে সম্পৃক্ত করুন • স্বামী/শাশুড়ি ও পরিবারের সচেতনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ • পরিবারকে জানাতে হবে, সব সময় সিজার করা দরকার হয় না ৫. কমিউনিটি পর্যায়ে প্রচার বাড়ান • কমিউনিটি ক্লিনিক, পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ও মিডিয়ার মাধ্যমে প্রচার • বাস্তব উদাহরণ ও ভিডিওর মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি স্লোগান:
“জন্ম হোক নিরাপদ, স্বাভাবিক হোক প্রসব!”
“গর্ভকালীন যত্ন নিন, সিজারের ঝুঁকি কমান!” প্রসূতি ও গাইনি বিশেষজ্ঞ সার্জন
*ডা. তমা রানী পাল*
এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য),
এফসিপিএস (অবস্ এন্ড গাইনি)
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল
সিসিডি (বারডেম), ঢাকা
কনসালটেন্ট, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা
বিএমডিসি রেজিঃ নং: এ ৬৬৬২১