শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিনশত বছরের প্রাচীন কাল ভৈরব মন্দিরে ৬দিন ব্যাপী যজ্ঞ মহোৎসব। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন এম এ হান্নান। সরাইলে শেষ হলো সাধক শ্যামানন্দ আশ্রমের ৭০ তম হরিনাম সংকীর্তন নাসিরনগর শ্রীশ্রী পাগল শংকর মন্দিরের চুরি ঘটনা ঘটেছে। স্বর্গীয়া অপরাজিতা দত্তের প্রথম বার্ষিক শ্রাদ্ধানুষ্ঠান —– সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মিনা বেগম মিনি এর নিজ উদ্যাগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় ছোটহরণে দোয়া ও কম্বল বিতরণ সদ্য চেয়ারম্যান থেকে পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র এমপি পদপ্রার্থী ইকবাল চৌধুরী। ধরমন্ডল পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে, জিতু মেম্বার নিহত, আহত ২০  বিজয় দিবস উপলক্ষে ডিস্ট্রিবিউটর সমিতির পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পণ গর্ভকালীন যত্নের মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসবের প্রচার
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

নাসিরনগরে কোমর পানি ডিঙ্গিয়ে স্কুলে যায় শিশুরা

প্রতিনিধির নাম / ১৯৩৬ বার
আপডেট : বুধবার, ১০ মে, ২০২৩

  1. মিহির দেব ,ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ

    হাঁটু-কোমর পানি। খালবিল ডিঙ্গিয়ে স্কুলে যাচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত বিদ্যালয়ে আসছে তারা। এক পোশাক হাতে। আর এক পোশাক স্কুল ব্যাগে। এটি ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার চাপড়তলা ইউনিয়নের ভেঙ্গাউতা গ্রামের দৃশ্য। পাকা সড়ক না থাকায় এভাবেই চলছে শিশুদের শিক্ষা জীবন, এতে গভীর দুশ্চিন্তায় রয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা।
    প্রতিদিন ভেঙ্গাউতা গ্রাম থেকে অন্তত দুই কিলোমিটার দূর্গম পথ ও পানি ভেঙ্গে বহু কষ্টে স্কুলে যাতায়াত করে কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীগণ।আবার পানিতে পড়ে কে কখন প্রাণহানির মতো দুর্ঘটনার শিকার হবে সে আশঙ্কায় দিন কাটছে সংশ্লিষ্টদের। ফলে ক্রমেই বিদ্যালয় বিমুখ হয়ে পড়ছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কেউ কেউ। এ ছাড়াও খাল বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার সহজ রাস্তাটিও হাঁটুর ওপর পানিতে নিমজ্জিত থাকায় সেখান দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে কাপড় চোপড় ভেজার পাশাপাশি পানিতে পড়ে বই পুস্তকও নষ্ট হয় কারো কারো।তাছাড়া খালের নোংরা ও দূষিত পানি পরিবেষ্টিত হওয়ায় রয়েছে রোগ ব্যাধির আশংকা।
    অভিভাবকরাও ছেলে-মেয়েদের স্কুলে পাঠাতে চান না এবং বিদ্যালয়ে খাবার
    নিয়ে আসলেও খেতে মন চায় না। পাটের মৌসুমে এখানে পাট জাগ দেয়ায় পচা পানিতে ডেঙ্গু মশার কারখানা তৈরি হয়। আশংকাজনক ভাবে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমে গেছে। সব মিলেয়ে ভেঙ্গাউতা গ্রামে একটি বিদ্যালয় যেন একটি স্বপ্ন বৈ কিছু নয়। এ বিষয়ে কালীউতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ বায়েজিদ খান বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলছেন প্রতিটা বিদ্যালয় বিহীন গ্রামে স্কুল দেওয়া হবে।আমরা এ ব্যাপারে ব্রাহ্মনবাড়িয়া -১ আসনের এমপি মহোদয়,উপজেলা চেয়ারম্যান মহোদয় ও ইউএনও মহোদয়ের কাছে গিয়েছিলাম। তারা আমাদের কে আশ্বাস দিয়েছেন ভেঙ্গাউতা গ্রামে একটি স্কুল করে দেবেন। আশা করছি অচিরেই তা বাস্তবায়ন হবে।


এ জাতীয় আরো সংবাদ
สล็อตเว็บตรง สล็อตเว็บตรง