Dhaka , Sunday, 7 June 2026
News Title :
নাসিরনগরে কাইঞ্জার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি এম.এ. হান্নান।  ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে নাসিরনগর বাজার কমিটির সভাপতি বাদল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সুজন দেব। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে চান মেহেরীন নাসিরনগরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিনশত বছরের প্রাচীন কাল ভৈরব মন্দিরে ৬দিন ব্যাপী যজ্ঞ মহোৎসব। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন এম এ হান্নান। সরাইলে শেষ হলো সাধক শ্যামানন্দ আশ্রমের ৭০ তম হরিনাম সংকীর্তন নাসিরনগর শ্রীশ্রী পাগল শংকর মন্দিরের চুরি ঘটনা ঘটেছে। স্বর্গীয়া অপরাজিতা দত্তের প্রথম বার্ষিক শ্রাদ্ধানুষ্ঠান —– সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মিনা বেগম মিনি এর নিজ উদ্যাগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় ছোটহরণে দোয়া ও কম্বল বিতরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া -১ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী নাজির মিয়া

  • Reporter Name
  • Update Time : 07:45:38 am, Tuesday, 19 September 2023
  • 1955 Time View

মিহির দেব,ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়া -১ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব মো. নাজির মিয়া নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় জনগনের সামনে বর্তমান সরকারের টানা ১৫ বছরের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড তুলে ধরতে প্রতিনিয়ত উঠান বৈঠক, কর্মীসমাবেশ ও মোটারসাইকেল শোভা যাত্রা করে যাচ্ছেন। নাসিরনগর উপজেলায় ১১৭ টি ওয়ার্ডে মিটিং করবেন বলে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৫০ টি উঠান বৈঠক করেছেন। তিনি বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের উজ্জীবীত রাখার চেষ্টা করে চলেছেন।
উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট নাসিরনগর গড়তে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া (নাসিরনগর-১) আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চান তিনি। আলহাজ্ব মো. নাজির মিয়া বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে নৌকা মার্কায় ভোট প্রদানের জন্য অনুরোধ করে চলেছেন তিনি। তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরাও তাকে নিয়ে আশা করছেন। কর্মী সমর্থকদের কাছে নাজির মিয়া একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে পরিচিত।
১৯৭৯ সালে যখন দশম শ্রেনীর ছাত্র ছিলেন নাজির মিয়া তখন বঙ্গবন্ধুর প্রতি অকৃত্তিম ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৮১ সালে ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তারপর ১৯৮৬ সালে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এবং ১৯৯১ সালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য নির্বাচিত হন৷
নাজির মিয়া ২০০৩ সালে বাংলাদেশ কৃষকলীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়ে কৃষকলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। পরপর ২০০৬ ও ২০১৯ সালে টানা দুই মেয়াদে বাংলাদেশ কৃষকলীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে কৃষকদের কল্যানে কাজ শুরু করেন।
তার পিতা মৃত হাজী মো. অলি মিয়া ও পরিবারের সকলেই বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার সহধর্মিনী নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রোমা আক্তার। তার শশুর প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অবঃ) গোলাম নূর ছিলেন নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া আওয়ামিলীগ সমর্থনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত জনপ্রিয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।
আওয়ামীলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ পরিবারের সন্তান হওয়ার কারণে দলের চরম দূর্দিনের সময় তিনি ও তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন সময় জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির প্রতি প্রচণ্ড আত্ববিশ্বিাসী এ কৃষকলীগ নেতা জনসেবায় নিজেকে সব সময় জড়িয়ে থাকতে পছন্দ করেন। বর্তমানে স্থানীয় এমপি থাকা সত্বেও লোকজন বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা নিতে আসেন তার নিকট। সদালাপি ও ধৈর্য্য ধরে কথা শোনার কারণে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন সবসময়।
বাংলাদেশ কৃষকলীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নাজির মিয়া বলেন, বঙ্গবন্ধু কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যদা অর্জন করেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার ১৪ বছরের উন্নয়ন কর্মকান্ড জনগনের মাঝে তুলে ধরছেন তিনি। সেই সঙ্গে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত-সমৃদ্ধ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে তরুণদের কাজে লাগাতে চান তিনি। গড়তে চান স্মার্ট নাসিরনগর। বিএনপি জোট সরকারের সময় দলের দু:সময়ে নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের হাল ধরে দলকে ঐকবদ্ধ করেছেন তিনি। হামলা মামলার শিকার হয়েছেন অনেক।
জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা মহমারীতে নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে নিজস্ব অর্থায়নে নাসিরনগর উপজেলার অন্তত ৫ হাজার কর্মহীন, দরিদ্র, দিনমজুর ও অস্বচ্ছল ব্যক্তিদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ছুটে গিয়েছেন। দলের নিবেদিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশে দাড়িয়েছেন। বঙ্গবন্ধু কণ্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত হিসেবে তাকেই নেত্রী মনোনীত করবেন বলে আশাবাদী তিনি ও তার সমর্থকরা। তাকে দলের মনোনয়ন দিলে দলের ত্যাগী ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করবেন বলেন দাবি করেছেন তিনি।
নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগসহ আওয়ামী অঙ্গ-সংগঠনের সমর্থকরা রয়েছেন তার সঙ্গে। তার অনুসারীরা মনে করছেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে তিনি নৌকার প্রতিক নিয়ে আসতে পারবেন। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, অন্য প্রার্থীর থেকে এবার নাজির মিয়ার কোনও বিকল্প নেই। নাসিরনগর উন্নয়নে নাজির মিয়ার মত যোগ্য ব্যক্তি প্রয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mihir Kumer Deb

Popular Post

নাসিরনগরে কাইঞ্জার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি এম.এ. হান্নান। 

สล็อตเว็บตรง

ব্রাহ্মণবাড়িয়া -১ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী নাজির মিয়া

Update Time : 07:45:38 am, Tuesday, 19 September 2023

মিহির দেব,ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়া -১ আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব মো. নাজির মিয়া নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় জনগনের সামনে বর্তমান সরকারের টানা ১৫ বছরের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড তুলে ধরতে প্রতিনিয়ত উঠান বৈঠক, কর্মীসমাবেশ ও মোটারসাইকেল শোভা যাত্রা করে যাচ্ছেন। নাসিরনগর উপজেলায় ১১৭ টি ওয়ার্ডে মিটিং করবেন বলে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৫০ টি উঠান বৈঠক করেছেন। তিনি বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের উজ্জীবীত রাখার চেষ্টা করে চলেছেন।
উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট নাসিরনগর গড়তে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া (নাসিরনগর-১) আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চান তিনি। আলহাজ্ব মো. নাজির মিয়া বাংলাদেশ কৃষকলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে নৌকা মার্কায় ভোট প্রদানের জন্য অনুরোধ করে চলেছেন তিনি। তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরাও তাকে নিয়ে আশা করছেন। কর্মী সমর্থকদের কাছে নাজির মিয়া একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে পরিচিত।
১৯৭৯ সালে যখন দশম শ্রেনীর ছাত্র ছিলেন নাজির মিয়া তখন বঙ্গবন্ধুর প্রতি অকৃত্তিম ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৮১ সালে ইউনিয়ন শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তারপর ১৯৮৬ সালে ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি এবং ১৯৯১ সালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য নির্বাচিত হন৷
নাজির মিয়া ২০০৩ সালে বাংলাদেশ কৃষকলীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়ে কৃষকলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। পরপর ২০০৬ ও ২০১৯ সালে টানা দুই মেয়াদে বাংলাদেশ কৃষকলীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে কৃষকদের কল্যানে কাজ শুরু করেন।
তার পিতা মৃত হাজী মো. অলি মিয়া ও পরিবারের সকলেই বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার সহধর্মিনী নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি রোমা আক্তার। তার শশুর প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অবঃ) গোলাম নূর ছিলেন নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া আওয়ামিলীগ সমর্থনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত জনপ্রিয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।
আওয়ামীলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ পরিবারের সন্তান হওয়ার কারণে দলের চরম দূর্দিনের সময় তিনি ও তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন সময় জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির প্রতি প্রচণ্ড আত্ববিশ্বিাসী এ কৃষকলীগ নেতা জনসেবায় নিজেকে সব সময় জড়িয়ে থাকতে পছন্দ করেন। বর্তমানে স্থানীয় এমপি থাকা সত্বেও লোকজন বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা নিতে আসেন তার নিকট। সদালাপি ও ধৈর্য্য ধরে কথা শোনার কারণে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছেন সবসময়।
বাংলাদেশ কৃষকলীগ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নাজির মিয়া বলেন, বঙ্গবন্ধু কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যদা অর্জন করেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার ১৪ বছরের উন্নয়ন কর্মকান্ড জনগনের মাঝে তুলে ধরছেন তিনি। সেই সঙ্গে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত-সমৃদ্ধ, সুন্দর ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করতে তরুণদের কাজে লাগাতে চান তিনি। গড়তে চান স্মার্ট নাসিরনগর। বিএনপি জোট সরকারের সময় দলের দু:সময়ে নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের হাল ধরে দলকে ঐকবদ্ধ করেছেন তিনি। হামলা মামলার শিকার হয়েছেন অনেক।
জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা মহমারীতে নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে নিজস্ব অর্থায়নে নাসিরনগর উপজেলার অন্তত ৫ হাজার কর্মহীন, দরিদ্র, দিনমজুর ও অস্বচ্ছল ব্যক্তিদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ছুটে গিয়েছেন। দলের নিবেদিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশে দাড়িয়েছেন। বঙ্গবন্ধু কণ্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত হিসেবে তাকেই নেত্রী মনোনীত করবেন বলে আশাবাদী তিনি ও তার সমর্থকরা। তাকে দলের মনোনয়ন দিলে দলের ত্যাগী ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করবেন বলেন দাবি করেছেন তিনি।
নাসিরনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, ছাত্রলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগসহ আওয়ামী অঙ্গ-সংগঠনের সমর্থকরা রয়েছেন তার সঙ্গে। তার অনুসারীরা মনে করছেন, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে তিনি নৌকার প্রতিক নিয়ে আসতে পারবেন। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, অন্য প্রার্থীর থেকে এবার নাজির মিয়ার কোনও বিকল্প নেই। নাসিরনগর উন্নয়নে নাজির মিয়ার মত যোগ্য ব্যক্তি প্রয়োজন।