Dhaka , Sunday, 7 June 2026
News Title :
নাসিরনগরে কাইঞ্জার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি এম.এ. হান্নান।  ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে নাসিরনগর বাজার কমিটির সভাপতি বাদল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সুজন দেব। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে চান মেহেরীন নাসিরনগরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিনশত বছরের প্রাচীন কাল ভৈরব মন্দিরে ৬দিন ব্যাপী যজ্ঞ মহোৎসব। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন এম এ হান্নান। সরাইলে শেষ হলো সাধক শ্যামানন্দ আশ্রমের ৭০ তম হরিনাম সংকীর্তন নাসিরনগর শ্রীশ্রী পাগল শংকর মন্দিরের চুরি ঘটনা ঘটেছে। স্বর্গীয়া অপরাজিতা দত্তের প্রথম বার্ষিক শ্রাদ্ধানুষ্ঠান —– সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মিনা বেগম মিনি এর নিজ উদ্যাগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় ছোটহরণে দোয়া ও কম্বল বিতরণ

হাঁস খামাড়ির শামীম মিয়া মাথায় হাত 

  • Reporter Name
  • Update Time : 10:43:57 am, Wednesday, 4 October 2023
  • 1847 Time View

মিহির দেব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : নাসিরনগর উপজেলা’র বুড়িশ্বর ইউনিয়নের আশুরাইল এলাকায় এক হাঁস খামাড়ির মাথায় হাত। আশুরাইল বেনীপাড়ার ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হাসিম এর বাগানে নান্নু মিয়ার ছেলে মোঃ শামীম মিয়া নামে এক ব্যক্তি হাঁসের খামাড় গড়ে তোলেন। সেখানে ৪৫০০শত হাঁসের বাচ্চা ক্রয় করে পালন করা শুরু করেন তিনি । বাচ্চা গুলোর বয়স ছিল প্রায় দের মাস। নাসিরনগর উপজেলা পশু হাসপাতালের সামনের একটি ওষুধের দোকান থেকে কৃমিনাশক ওষুধ কিনে এনে খাওয়ানোর পর থেকে সংবাদ লেখার আগ পর্যন্ত প্রায় ৩৫০০ টি হাঁস মারা যায়। এতে প্রায় দশ লক্ষ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয় খামাড়ী। এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী খামাড়ী।

ভুক্তভোগী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর নাসিরনগর উপজেলা পশু হাসপাতালের সামনে মেসার্স মা ফার্মেসীর মালিক শেখ ফরহাদ হোসেনের দোকান থেকে ৮ প্যাকেট কৃমিনাশক ওষুধ কিনে এনে ৪৫০০ টি হাঁসের বাচ্চাকে খাওয়ানো হয়। এরপর থেকে প্রায় ৩৫০০ বাচ্চা মরে শেষ হয়ে যায়।
 ভুক্তভোগী শামীম মিয়া বলেন, আমি ৩ প্যাকেট কৃমির ওষুধ দিতে বলি দোকানী শেখ ফরহাদ কে, তিনি বলেন তিন প্যাকেটেই হবে না ৮ প্যাকেট লাগবে । সে আরও বলে আমি ট্রেনিং প্রাপ্ত চিকিৎসক ৮ প্যাকেটই লাগবে। উনার কথা মতো কিনে এনে খাওয়ানোর পর থেকে এখন পর্যন্ত আমার খামাড়ের ৩৫০০ টি হাঁস মারা যায়। বাকি গুলোও এখন মরার পথে। আমার দশ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। আমার এখন পথে বসতে হবে। হাতুড়ে চিকিৎসক ফরহাদ হোসেন  স্থানীয় সালিশ কারকদের  মাধ্যমে সমাধান করবে বলে আশ্বাস দিয়ে দুইদিন ধরে কোন সমাধান দেয়নি । পরে আমি নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করি।
সাংবাদিকরা এই বিষয়ে জানতে ফরহাদ হোসেন’র মুঠোফোন (০১৭১৭২৬১৫১১) নাম্বারে একাধিক বার চেষ্টা করলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহাগ রানা বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে বিস্তারিত জানা যাবে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Mihir Kumer Deb

Popular Post

নাসিরনগরে কাইঞ্জার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি এম.এ. হান্নান। 

สล็อตเว็บตรง

হাঁস খামাড়ির শামীম মিয়া মাথায় হাত 

Update Time : 10:43:57 am, Wednesday, 4 October 2023

মিহির দেব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া : নাসিরনগর উপজেলা’র বুড়িশ্বর ইউনিয়নের আশুরাইল এলাকায় এক হাঁস খামাড়ির মাথায় হাত। আশুরাইল বেনীপাড়ার ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হাসিম এর বাগানে নান্নু মিয়ার ছেলে মোঃ শামীম মিয়া নামে এক ব্যক্তি হাঁসের খামাড় গড়ে তোলেন। সেখানে ৪৫০০শত হাঁসের বাচ্চা ক্রয় করে পালন করা শুরু করেন তিনি । বাচ্চা গুলোর বয়স ছিল প্রায় দের মাস। নাসিরনগর উপজেলা পশু হাসপাতালের সামনের একটি ওষুধের দোকান থেকে কৃমিনাশক ওষুধ কিনে এনে খাওয়ানোর পর থেকে সংবাদ লেখার আগ পর্যন্ত প্রায় ৩৫০০ টি হাঁস মারা যায়। এতে প্রায় দশ লক্ষ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয় খামাড়ী। এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী খামাড়ী।

ভুক্তভোগী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর নাসিরনগর উপজেলা পশু হাসপাতালের সামনে মেসার্স মা ফার্মেসীর মালিক শেখ ফরহাদ হোসেনের দোকান থেকে ৮ প্যাকেট কৃমিনাশক ওষুধ কিনে এনে ৪৫০০ টি হাঁসের বাচ্চাকে খাওয়ানো হয়। এরপর থেকে প্রায় ৩৫০০ বাচ্চা মরে শেষ হয়ে যায়।
 ভুক্তভোগী শামীম মিয়া বলেন, আমি ৩ প্যাকেট কৃমির ওষুধ দিতে বলি দোকানী শেখ ফরহাদ কে, তিনি বলেন তিন প্যাকেটেই হবে না ৮ প্যাকেট লাগবে । সে আরও বলে আমি ট্রেনিং প্রাপ্ত চিকিৎসক ৮ প্যাকেটই লাগবে। উনার কথা মতো কিনে এনে খাওয়ানোর পর থেকে এখন পর্যন্ত আমার খামাড়ের ৩৫০০ টি হাঁস মারা যায়। বাকি গুলোও এখন মরার পথে। আমার দশ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। আমার এখন পথে বসতে হবে। হাতুড়ে চিকিৎসক ফরহাদ হোসেন  স্থানীয় সালিশ কারকদের  মাধ্যমে সমাধান করবে বলে আশ্বাস দিয়ে দুইদিন ধরে কোন সমাধান দেয়নি । পরে আমি নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করি।
সাংবাদিকরা এই বিষয়ে জানতে ফরহাদ হোসেন’র মুঠোফোন (০১৭১৭২৬১৫১১) নাম্বারে একাধিক বার চেষ্টা করলে তিনি ব্যস্ততা দেখিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহাগ রানা বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে বিস্তারিত জানা যাবে।